ইন্টারনেট পরিষেবা এবং ই-লার্নিং পরিষেবা ছাড়া মানুষ আজ এক পা চলতে পারে না! প্রত্যেক বিষয়ে অনেক জ্ঞান অর্জনের পথ সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে। তা কিভাবে?

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ আমাদের জীবনে ইন্টারনেট পরিষেবা সাথে সাথেই লার্নিং পরিষেবার অনেক বেশি গুরুত্ব রয়েছে। ই-লার্নিং পরিষেবা শুধু আমাদের জীবনে শিক্ষাদান করছে তা নয় তার সাথে সাথে ঘরবন্দি বহু মানুষের সহায়তায় এবং জ্ঞান অর্জনের একমাত্র স্থান হয়ে উঠেছে। ইন্টারনেটের সঙ্গে একইভাবে পরিপূরক ই লার্নিং। ইন্টারনেটে কিভাবে আমাদের জীবনে অনেক বেশি গুরুত্ব দান করে থাকে। ইন্টারনেট ছাড়া এখন প্রত্যেকটা মানুষ যেমন এক পা এগোতে পারেনা ঠিক একই রকমভাবে শিক্ষার্থী শিক্ষক শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রেও বেশ কিছুটা হলেও অসম্ভব কার্যকরী ভুমিকা থাকে। কারণ আমরা অনেক কাজ করি অনেক পড়াশোনা করি কিন্তু তার মাঝেও কোথাও ফাক থেকে যায় সেটা কোথাও ইন্টারনেট পূরণ করে। আবার কখনো বা ই-লার্নিং এর মাধ্যমে যে সমস্ত জায়গায় আমরা সাধারণত শিক্ষাজগতে অনেক কিছু শিখতে পারি, অথচ সামান্য কিছু জিনিসের জন্য হয়ত আমরা সেটা উপলব্ধি করতে পারিনা কিন্তু আমরা ইন্টারনেট পরিষেবা মাধ্যমে সেই পরিষেবাগুলি একের পর এক গ্রহণ করতে পারি। ইন্টারনেট পরিষেবা যেমন আমাদের অনেক সুবিধা দিয়েছে তার মধ্যে একই রকমভাবে বাড়িতে বসে কাজের সুবিধা হচ্ছে বহু মানুষ। এই করোনা পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট পরিষেবা আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মানুষ এত বেশি স্মার্ট হয়ে উঠত না।


তবে ইন্টারনেট আমাদের জীবনে কতটা সুবিধা দেয় আর ই লার্নিং আমাদের জীবনে কতটা সুবিধা রেখেছে তা আজকে আমরা জানবো। ই-লার্নিং সম্ভব ইন্টারনেটের মাধ্যমে। ইন্টারনেট যতটা আমাদের দিতে পারে হয়তো তাই একইভাবে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত হয়েছে আমাদের সঙ্গে।


প্রথমে আমরা সাধারণত পড়াশোনা শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিজেদের জ্ঞান অর্জন আরও বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করি। আবার অনেকে আছে যারা হয়তো ঠিকঠাকভাবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পড়াশোনা করতে পারে না। আবার কেউ প্রশিক্ষণ পেলেও নিজেদের সেটাকে আরও অনেকদূর নিয়ে যাওয়ার জন্য তারা আরও জ্ঞান অর্জন করে থাকে যেমন ভাবে আমাদের সঙ্গে মিশে রয়েছে এটি। বিশেষ করে ছাত্র জীবনের সাথে তাই গুরুত্ব অপরিসীম আমাদের জীবনে এমন অনেক বিষয় রয়েছে যে বিষয়গুলি আমরা সাধারণভাবে অনেক ব্যয়বহুল বলে শিখতে পারিনা। তবে এখন একটা অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে ই-লার্নিং এ সেই অ্যাকাউন্ট থেকে আমরা অল্প খরচে সেটি খুব ভালোভাবে শিখতে পারি।


এখন অনলাইন টিউশান থেকে শুরু করে অনলাইন সমস্ত পরিষেবা শুরু হয়েছে যদিও সেটি ইন্টারনেটের আওতায়। কিন্তু তা হলেও এই সমস্ত পরিষেবা একের পর এক সম্পূর্ণ হতে সাহায্য করে। এটাকে আমরা সাধারণত একাউন্ট করা যায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে শিক্ষণীয় প্রত্যেকটা বিষয়ই আমরা বলতে পারি ইন্টারনেটের মাধ্যমে। আমরা শুধুমাত্র পড়াশোনা প্রত্যেকটা ছোট ছোট শিক্ষা নিয়ে থাকে যেগুলো হয়তো আমরা কোনোভাবেই কোনো শিক্ষক কিংবা পণ্ডিতের কাছে গেলে সেই পাণ্ডিত্য পেতাম না কিন্তু ইন্টারনেট পরিষেবা দেয় সেটা। আর এই আস্তে আস্তে মানুষকে অনেক বেশি সম্প্রসারণ করতে সাহায্য করে ইন্টারনেট। আমাদের জীবনে অনেক জিনিস শিখতে সাহায্য করেছে যে জিনিস গুলো আমরা হয়তো বাড়িতে থেকে কিংবা সাধারণ কথায় আমরা ভালো প্রশিক্ষণের কাছে গিয়ে হয়ত পারতাম না তার নিজের বাড়িতে বসে নিজের সময় নষ্ট না করে শুধুমাত্র সেই প্রশিক্ষণের দিকে কনসেনট্রেট করতে পারা মনোযোগ দিতে পারা অনেক বেশি সাহায্য করে। এখানে সব রকমের শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে শুধুমাত্র যেতে হবে এমনটা নয় এখান থেকে পড়াশোনা করতে হবে এমনটা নয়। সাথে সাথে ভিডিও করেও সেই সমস্ত পড়াশোনা কিভাবে চালিয়ে যায় মানুষ আর শিক্ষা জগতের জন্য একটি পাও না আমাদের।



এবার আসা যাক ইন্টারনেট পরিষেবায়। ইন্টারনেট পরিষেবা কথা বলতে গেলে হয়তো শেষ করা যায় না। ইন্টারনেট আমাদের জীবনে যা খুশি তাই বলা যেতে পারে। যেখানে আমরা অনেক জিনিস শিখতে পারি না, অনেক জিনিস জানতে পারি না সেই জায়গা থেকে ইন্টারনেট আজকের আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ইন্টারনেট না থাকলে মানুষ এখন অচল এক পাও চলতে পারেনা। শুধুমাত্র ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষ সব কিছুই আজ নির্ভরশীল করে রেখেছে। প্রত্যেকটা কাজ ইন্টারনেট ছাড়া চলবে না এক পা এগোতে গেলে লাগবে ইন্টারনেট টিকিট কাটতে গেলে লাগবে ইন্টারনেট মানুষের সাথে কথা বলতে গেলে লাগবে ইন্টারনেট। প্রত্যেকটা পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট আমাদের সাথে যুক্ত। ইন্টারনেট কিভাবে আমাদেরকে সাহায্য করছে তাই শুধুমাত্র এক কথায় বলা সম্ভব নয় আজ ইন্টারনেটের যুগে মানুষ প্রত্যেকটা ইন্টারনেটের মাধ্যমে করে আগের দিনে হলে মানুষ এত পরিষেবা নিতে পারত না। কিন্তু এখন বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ইন্টারনেট পরিষেবা টাকেই স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করছে। সেটি এখন স্বাভাবিক পরিস্থিতি বলেই মেনে নিয়েছে তারা।


তবে ইন্টারনেট পরিষেবা আমাদের জীবনে বেশ কিছু অসুবিধা হতে পারে কিন্তু সেই অসুবিধা গুলি কে অগ্রাহ্য করে আমরা সুবিধার পদ গুলোকে বেছে নেওয়া আমাদের কাছে অনেক বড় কাজ বলে মনে হবে। কারণ ইন্টারনেট পরিষেবা সঠিক কাজে ব্যবহার করছে না কেউ। এই ইন্টারনেট পরিষেবা মাধ্যমে অনেক ভুল এবং অরাজকতা করছে কিন্তু তা ঠিক নয়। ইন্টারনেট আমাদের পড়াশুনা থেকে শুরু করে চ্যাট করা কথা বলা অনেক দূরের মানুষকে কাছে নিয়ে আসা হাতের মুঠোর মধ্যে সারা জগত কে পেতে সাহায্য করেছে ইন্টারনেট। যখন যেটা জানার ইচ্ছে হয়েছে আমরা এই ইন্টারনেটের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। কিন্তু যারা ইন্টারনেট কে সঠিকভাবে কাজে লাগায় না তারা সারা দিনে বিভিন্ন রকম ভাবে গেম এবং কোন পর্ন ভিডিওর উপর অনেক বেশি অ্যাডিক্ট হয়ে পড়ে আর তখন তাদের নিজেদের মধ্যে হারিয়ে যায়। আর সেই মোটিভ হারিয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।


তাই ইন্টারনেট যেভাবে আমাদেরকে সাহায্য করে ঠিক একইভাবে ইন্টারনেট আমাদের কিছু জায়গায় ক্ষতি করে। তবে সেটা মানুষ বিবেচনা করে মানুষ যেখানে যে জিনিসটা অনেক বেশী মনোরম বলে মনে করে সেই জিনিসের উপর অনেক বেশি জোর দেয়। এখন মানুষের কাছে বেশ কিছুদিন আগে পাবজি খেলা টা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়েছিল যেখানে সেখানে শেখা অতটাও গুরুত্ব ছিল না। একইসাথে এখন ফ্রি ফায়ার গেম এই সমস্ত খেলা নষ্ট করছে বিশেষ করে ছাত্র জীবনকে। তবে শুধুমাত্র ছাত্র জীবনে এমন কাজ করছে তার সাথে সাথে ছাত্র জীবনের অনেক পড়াশুনা প্রত্যেকের কাছ থেকে নেওয়া যায় না। আবার শিক্ষকের কাছ থেকে নেওয়া যাচ্ছে না বাড়িতে বসে থাকে। সেই পরিস্থিতিতে এই সমস্ত কথা বলা যাচ্ছেনা সেই সমস্ত করে পড়াশোনা নিয়ে যেতে পারি বা ভিডিও কিছু ভিডিও দেখার পর আর দরকার হয় না। সেখানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পড়াশোনা করা যায় নোট কালেকশন করা যায় সমস্ত বিষয়ে অনেক বেশি সাহায্য করেছে শিক্ষার্থীদের কিন্তু তার থেকেও বড় বিষয় নিজেদেরকে অনেক বেশি সংযত করতে হবে অনেক বেশি সংগ্রাম করতে হবে শেখার জন্য। ইন্টারনেটকে দোষ দিয়ে লাভ নেই ইন্টারনেট পরিষেবা আমাদের সাহায্যের জন্য রয়েছে এমনটা কখনো ভেবো না ইন্টারনেট পরিষেবা আমাদের জীবনে রয়েছে। শুধুমাত্র এন্টারটেইন করার জন্য কিন্তু বেছে নিতে হবে অবশ্যই আমাদের সঠিক টাকে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন