সারা দেশের মানুষ আবার আতঙ্কে ব্রিটেন থেকে আসা ২৪৬ জন যাত্রী কে নিয়ে! এবার বিদেশী করোনা আর অনেক বেশি শক্তিশালী রুপ নিতে পারে

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ করোণা পরিস্থিতিতে যেভাবেই প্রত্যেক মানুষকে তার জবাব দিতে হয়েছে তার জন্য মানুষ এখনো আতঙ্কে রয়েছে কিভাবে একেবারে নিরমুল হবে এই বিপত্তি। আর তার মধ্যে ব্রিটেন থেকে বিমান আসার অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার। ভারত থেকে এই অনুমতি পাওয়ার ব্রিটেন থেকে প্রত্যেকদিন পনেরোটা এবং ভারত থেকে 15 টা বিমান ব্রিটেনে যাবে। কিন্তু ব্রিটেনে করোনার ভয়াবহ স্টেনে পাওয়া গেছে। তাতে আরো অনেক বেশি ভয়ানক রূপ নিয়েছে সেখানে পুনরায় লকডাউন করতে হয়েছে। আর সেই অবস্থাতে ব্রিটেন থেকে যদি আসে তাতে অনেক বেশি সমস্যায় পড়তে হবে সাধারণ মানুষকে। আতঙ্কের মধ্যে পড়তে হচ্ছে সাধারন মানুষের।


একেই করোনা পরিস্থিতিতে আগের থেকে যে অবস্থা সামাল দেওয়া গেছে কিন্তু এখন তা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে উঠবে। তার জন্যই বিমান আসা অনুমতি না দেওয়ায় অনেক ভাল ছিল মত বিরধি পক্ষদের। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছে যে বুধবার থেকে ব্রিটেন থেকে বিমান আসতে পারবে। ভারতে সেইরকমই জানানো হয়েছে অর্থাৎ দিল্লির বিমানবন্দর থেকে বৃটেনের বিমান ছাড়বে এবং বৃটেনের বিমান আসার অনুমতি দিয়েছে মোদি সরকার। তার সাথে সাথে সারা দেশবাসীকে অনেক বেশি চিন্তায় ফেলেছে। কারণ এখন স্টেনে মানুষ অনেক বেশি সমস্যায় পড়ছে তার জন্য প্রত্যেক মুহূর্তে মানুষকে জবাব দিতে হয়েছে। প্রায় একটা বছর ধরে সারা দেশের মানুষ গৃহবন্দি আর তার সাথে সাথে নিজেদের কাজকর্মও।



আর এখন অনেক বেশি শক্তিশালী যদি একই রকম সমস্যা দেখা দেয় তাতে মানুষ অনেক বেশি ভয় পাবে এবং তার থেকেও বড় কথা আবারও দেশের মানুষের প্রাণ হারাবে তার কোন ঠিক নেই। এই পরিস্থিতিতে এই অনুমতি পাওয়া একেবারেই অযোগ্য। অনুমতি না দেওয়া উচিত ছিল। শুক্রবার দিন ব্রিটেন থেকে বিমান আসবে দিল্লি বিমানবন্দরে। প্রায় 246 জন যাত্রী রয়েছে ব্রিটেনে থেকে আসা ওই নিমানে। কিভাবে পরীক্ষা নিরিক্ষা করিয়ে দেয়া হচ্ছে এবং বিমানবন্দরের নামানো হবে তা নিয়ে কোন কথা এখনো শোনা যায়নি। কিন্তু এদিকে এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন পরিষেবা চালু হয় তাহলে সেই বিমান পরিষেবা পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সমস্ত বিধি-নিষেধ মেনে চালু করা হোক যে সমস্ত যাত্রীরা দিল্লিতে আসবে সেই সমস্ত যাত্রীদের ৭২ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে এসে টেস্ট করানো হোক যদি রিপোর্ট নেগেটিভ আসে তাহলে সেই রিপোর্ট নিয়ে দিল্লি বিমানবন্দরে নামলে এবং সেই বিমানবন্দর চেক করার পর তাদেরকে 14 দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর ছাড়া হবে। কিন্তু অপরদিকে কলকাতা থেকে যারা যাবে একই রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সেগুলি করা হবে।


তবে এটুকু জানি যে যদি এই করোনা পরিস্থিতিতে আবার এই দেশে ঢুকতে শুরু করে তাতে মানুষ একেবারে উজাড় হয়ে যাবে। ঠিক সেরকম ভাবে প্রথম যখন করণা শুরু হয়েছিল তখন ও বিমানবন্দর আসা মানুষের ওপর ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আসা মানুষের ওপর থেকে বেশি ছড়িয়েছিল প্রত্যেক মানুষের আর সেখান থেকে অনেক বেশি ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল আমাদের দেশে। আর সেই জায়গা থেকে যখন একটা পরিস্থিতিতে থামানো গিয়েছে কন্ট্রোল করা যাচ্ছে সেই পরিস্থিতিতে আবার বিমান চালানো একেবারেই উচিত নয়। যেখানে প্রত্যেক মুহূর্তে বৃটেনের খবর অনেক বেশি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। তারা প্রথমে লকডাউন এরপর আবারও নতুন করে লকডাউন করতে বাধ্য হয়েছে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সেই খবরের পর এটি হবে একেবারেই উচিত নয় দেশের মানুষের জন্য। একটা ভয়াবহ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে ভারতীয় মানুষ অনেক বেশি আতঙ্কে ভুগছেন। যদি আবার এদেশে আসে তাহলে অনেক বেশি শক্তিশালী তাতে মানুষ রুখতে পারবেনা এবং তাতে একেবারে ইউজার হয়ে যাবে আর মানুষের পক্ষে এখন গৃহবন্দী হয়ে থাকা সম্ভব নয়। তাই এবারের পরিস্থিতি অনেক বেশি ভয়াবহ হতে পারে বলে অনেকেই সাবধান করে জানিয়েছে এবং বিরোধী পক্ষ জানিয়েছে এ বিষয়ে আর একবার চিন্তা ভাবনা করা উচিত।

Post a Comment

أحدث أقدم