কোন কেমিক্যাল নয় বাড়িতে বসেই ঘরোয়া টোটকা তে হয়ে উঠুন অপরুপা!

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ কোমল রূপ ও সৌন্দর্য রূপ সবাই দেখতে পছন্দ করে। কিন্তু সেই কোমল রূপ টাকে ধরে রাখার মত কিছু ভূমিকা পালন করে। ঘরোয়া কিছু টোটকা আমরা সাধারণত বিভিন্ন নামিদামি ক্রিম ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকি কিন্তু শরীরের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য সবার আগে দরকার নিজেকে সঠিকভাবে সঠিক বিচার করে। ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করে যদি ফল না পান তাতে হয়তো আপনার ক্ষতি কিছু হবে না লাভ না হলেও ক্ষতি কিছু হবেনা। কিন্তু বাইরের বিভিন্ন প্রোডাক্ট আপনার লাভ না হলেও তাঁর অনেক বড় বড় ক্ষতি হতে পারে। তাই সব ক্ষেত্রে ঘরোয়া টোটকা কোন তুলনা হয় না একেবারে ভেষজ উপাদানের কাছে।


সুন্দর রুপের বেশ কিছু ঘরোয়া টোটকা আপনাদেরকে জানানো যেতে পারে। যার মধ্যে আপনার রূপ সুন্দর থাকবে শরীর কোমল থাকবে তার সাথে আপনার মাথার চুল পড়া বন্ধ হবে। প্রথমেই আসা যাক কিভাবে আপনার রুপ সুন্দর থাকবে রূপের সৌন্দর্য বজায় থাকবে বহুদিন। বয়স কালেও বয়সের ছাপ পড়বে না আপনার শরীরের উপর। সবার আগে কি কি করা দরকার এবং কি কি টোটকা আপনি ব্যবহার করতে পারেন।


সুন্দর ত্বকের জন্য আপনি সবার আগে সকাল বেলা উঠে ফ্রেশ হওয়ার পর খালি পেটে দুধ ডালিম খান। যেটি আপনার কোমলতাকে বজায় রাখবে বার্ধক্য সময় পর্যন্ত আপনার মুখে কোন দাগ আসতে দেবে না ব্ল্যাকহেডস আসতে দেবে না তার সাথে সাথে ব্রণ থেকে মুক্তি পাবেন একেবারের জন্য। আপনি আপনার মুখে যদি প্রচুর ব্রন থাকে তার জন্য আপনি লেবু এবং মধু ব্যবহার করুন তবে সেটা প্রতিদিন নিয়ম করে আপনি মাখুন সেটিও ভালো কিন্তু তার সাথে সাথে স্ক্রিনের উপর লেবু মধু ব্যবহার করুন। রাতে ঘুমানোর সময় ভিটামিন ই ক্যাপসুল, এলোভেরা জেল ব্যবহার করুন। তাতে খুব সুন্দর অনেক বেশি কোমল ও চকচক করবে আপনার স্কিন। এটি আপনি বছরের সব সময় ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু শীতকালের জন্য আলাদা কিছু টোটকা ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার স্ক্রিনকে অনেক বেশি কোমল নরম এবং সফট রাখবে। শীতকালের জন্য যাদের মুখে ব্রণ এবং ড্রাই স্কিন তাদেরকে বলব তারা শীতকালে লেবু এবং টমেটোর স্নানের আগে মুখে মেখে শুকিয়ে গেলে স্নান করুন এবং দেখবেন অনেক বেশি কোমল অনেক সময় অনেক ক্রিম মাখা দরকার পড়ে না। শীতকালে স্কিন টানটান হয় কিন্তু শীতকালে মধু লেবু এবং তার সাথে অ্যালোভেরা জেল মাখলে আপনার স্কিন টানটান থাকবে।


শীতকালে কমলালেবু খুব বেশি পাওয়া যায় তাই শীতকালে কমলালেবুর খোসা দিয়ে চন্দন মিশিয়ে সেটি রাতে মাখুন দেখবেন মুখ একেবারে চকচক করছে। কমলালেবুর খোসায় স্কিনের জন্য এবং আপনার যদি তাহলে সেখানে কমলালেবু সেইখানে লাগান দেখবেন দু-তিন দিন লাগানোর পর আমরা খুব সুন্দর হয়েছে। এছাড়াও আপনি আপনার স্ক্রীন কে ভালো রাখার জন্য লেবু মাখতে পারেন। পাতিলেবু খুব ভালো কাজ দেয় শরীরের প্রত্যেকটা অংশের জন্য। যেমন কমিয়ে দেয় তার সাথে সাথে স্ক্রিনকে উজ্জ্বল করে পাতিলেবুর রস ও আপনি মাখতে পারেন।



এবার আসি চুলের যত্নে। আপনি চুলের যত্ন করেন ঠিক কথা কিন্তু চুলের যত্ন করার সময় দরকার। মাথার খুশকি এবং চুল পড়া বন্ধ করার জন্য কিছু টোটকা। আপনার অত্যধিক পরিমাণে চুল উঠছে তাহলে আপনি আগে দেখুন আপনার মাথায় খুশকি আছে কিনা। যদি খুশকি ছাড়া অত্যধিক পরিমাণে চুল ওঠে তাহলে আপনি পেঁয়াজের রস এবং লেবুর রস একসাথে মাখতে পারেন তাতে চুল আর যাদের অল্প বয়সে চুল পাকা থাকে অর্থাৎ অকালপক্কতা একেবারেই কমে যাবে। আর যদি আপনার মাথায় অত্যধিক পরিমাণে খুশি থাকে খুশকির জন্য প্রচুর পরিমাণে চুল উঠে থাকে। তাহলে আপনি লেবু ও আমলকী একসাথে মাথায় দিন আর সেটি স্নানের এক ঘন্টা আগে মাখুন তারপর ভালো করে স্নান করে ধুয়ে নিন। এছাড়াও আমলকির রস নারকেল তেলের মধ্যে রাখেন তাহলেও ভালো কাজ করে।


যদি সেটি আপনি রাখেন তাহলে খুব কাজ করে। আমলকি আপনার চুল টাকে যেভাবে কালো করবে তার সাথে সাথে আপনার চুলের গোড়া মজবুত করবে। আপনার অত্যাধিক পরিমাণে চুল উঠে যাওয়ার জন্য পেঁয়াজের রস ব্যবহার করা খুব দরকার। কিন্তু অনেক ব্যয়বহুল জিনিস এই সময়ের জন্য পিয়াজ তাই সবাইকে বলব আপনি লেবু এবং আমলকি ব্যবহার করতে পারেন। লেবু আমলকী খুব ভালো কাজ করে। যেমন একসাথে আপনার খুশকিও নিরাময় করবে তার সাথে সাথে চুল পড়া বন্ধ করবে এবং আমলকি থাকার কারণে আপনার চুল কালো করবে। তাই বন্ধুরা একবার ব্যবহার করে দেখুন আপনার খুসকি কমছে কিনা। এটুকু আমি বলতে পারি খুশকি যাদের রয়েছে একশো শতাংশ খুশকি কমে যাবে। লেবু আমলকি একসাথে মাখলে। তাই আজ থেকেই শুরু করুন বাড়িতেই ঘরোয়া টোটকা। যা আপনার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সঙ্গে ভালোভাবে প্রমাণ দিয়ে যাবে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন