দর্শনার্থীরা এবার দর্শন করতে পারবে জগন্নাথ মন্দির! পুরীর মন্দিরে প্রবেশ পথ খুলে দেওয়া হয়েছে আজ থেকে

 বহুদিন পরে দর্শনার্থীরা দর্শন করতে পারবে জগন্নাথ মন্দির। করোণা পরিস্থিতিতে বহুদিন ধরে তা বন্ধ ছিল তবে বুধবার থেকে এটা চালু করেছে পুরীতে। পুরীর জগন্নাথ মন্দির দেখতে না পেয়ে মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিল। দর্শনার্থীরা কোনভাবেই মন্দির দর্শন করতে পারছিলোনা তাছারাও বহু মানুষের করণা সংক্রমণ হয়েছে আর ঠিক তার জন্য বিভিন্ন নিয়ম কানুন মেনে চলতে হচ্ছিল সেখানে। তবে এবার আর তা নয়। এবার দর্শনার্থীরা মন্দিরে ঢুকতে পারবে। মন্দিরের প্রবেশ একেবারেই শিরোধার্য বলে গ্রহণ করা হয়েছে। তবে তার মধ্যে বেশকিছু নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ঠিকই কিন্তু মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবে তাতে অনেক বেশি স্বস্তি পাচ্ছে সেখানকার মানুষ এবং পর্যটকরা।


পর্যটক, দোকান এছাড়াও জীবিকা নির্বাহ দাঁড়িয়ে থাকে এই মন্দিরের মুখ চেয়ে। মন্দির দর্শন করতে দিচ্ছে না বলে বহু দর্শনার্থী সেখানে যাচ্ছে না এবং পর্যটকরা যদি না যায় সেখানকার ব্যবসা-বাণিজ্য একেবারেই বন্ধ বলে ধরে নেওয়া যায়। ঠিক সেই জন্যই এবার এই করোনা পরিস্থিতির অবস্থা দেখে চালু হয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দির। সেখানে এসে পুরোহিতরা প্রথমে ঢোকার নির্দেশ পেয়েছে সমস্ত সেবায়েত পুরোহিত আগে যেরকম ভাবে সাহায্য সুবিধা করেছে করণা পরিস্থিতিতে তারা নিজেদেরকে গুটিয়ে রেখে ছিল তবে এবার আর তা নয়। তারা নিজেরাই অনেক আগে প্রবেশ করবে মন্দির পরিচর্যা এবং পরিদর্শন করার জন্য। আর তার সাথে প্রবেশ করতে পারবে দর্শনার্থীরা।


তবে দর্শনার্থীদের সূত্রে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তারা কোনোভাবেই ফল পুজোর প্রসাদ এছাড়াও অন্যান্য কোন কিছুই নিয়ে ঢুকতে পারবে না মন্দিরে। মন্দিরে ঢোকার আগে তাদের কে থার্মাল টেস্ট করা হবে এবং মন্দিরে ঢোকার আগে থার্মাল চেকিং করা হবে যদি সেখানে করোনা ধরা পড়ে অর্থাৎ টেম্পারেচার যদি বেশি থাকে তাহলে ঢুকতে দেওয়া হবেনা। অনেক আগেই ব্যবস্থা করা হয়েছে তার পরেই মন্দির চত্বরে ঢুকতে পারবে। সমস্ত মানুষ সবকিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই পরিষেবা আবার চালু করা হয়েছে। তবে তাতে অনেক বেশি সুবিধা পাবে সেখানকার মানুষ যারা জীবিকা নির্বাহ করে এর উপর এছাড়া অন্যান্য জীবিকা উপর দাড়িয়ে রয়েছে পর্যটনের ওপর।


তবে পর্যটক যারা আছে তাদেরকে যাতে যথাসম্ভব টেস্ট করা হয় এছাড়াও বিভিন্ন চেকিং এর মাধ্যমে ঢুকতে দেওয়া হয় তার জন্যই সেখানকার মানুষ এবং অনেক বেশি সাহায্য করছে সরকারকে। সেখানকার সরকারের কথায় তারা এটুকু জানিয়েছে যে খুব শীঘ্রই হয়তো করোনা পরিস্থিতি চলে যেতে পারে কিন্তু তার আগে এটুকু করা উচিত যারা আসছে তাদের জন্য করোনা পরীক্ষা এবং করোনা টেস্ট না করে মন্দির চত্বরে ঢুকতে দেওয়া যাবেনা। মন্দিরের যাতে একেবারে সু-সম্পন্ন ভাবে সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা যায় এবং সেখানে কোনো রকম ভাবে যাতে করোনা পরিস্থিতি ঢুকতে না পারে তার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সেই পরিস্থিতি চালু করা হয়েছে। হয়তো একটু কঠোর কিন্তু তার জন্য সাধারন মানুষ এবং সেখানকার জীবিকা নির্বাহ মানুষদের জন্য অনেক বেশি সুবিধা বেড়েছে বলে নিয়েছে সেখানকার সরকার।


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন