ঘর থেকে কাজের সুবিধা হলেও শারীরিক ও মানসিক দিকে অনেক বেশি প্রেসার পড়ছে সব কর্মীদের

আমরা প্রত্যেকেই সঠিক ভাবে নিজেদের শরীরকে যত্ন করতে চাই। কিন্তু আমাদের সারাদিনে কাজের চাপ এবং প্রত্যেক দিন আমরা যেভাবে নিজের শরীরের যত্ন নিয়ে থাকি তাতে আমাদের শরীর সঠিকভাবে চালনা করা হয় না। 

work from home
Work from home

আমরা ভাবি অনেক কিছু কিন্তু সেখানে স্বাভাবিক ভাবে আমাদের শরীর ঠিকঠাক যত্ন নেওয়া হয় না। তার জন্য আমাদের শরীরে অনেক রকম প্রভাব পড়ে। শুধুমাত্র শরীরকে ভালো রাখতে গেলে সবার আগে দরকার আমাদের চিন্তা মুক্ত করতে হবে। শুধু তাই নয় শরীরের চিন্তা মুক্ত করুন এবং তার সাথে সাথে আপনাকে ঠিকঠাক ডায়েট চার্ট মেনটেন করা দরকার।

শরীরকে সুস্থ যদি রাখলে তাহলে আমাদের মন ভালো থাকবে এবং মন ভালো থাকলে আমাদের সবটাই ঠিকঠাকভাবে মেনটেন করা যাবে। আমরা সাধারণত নিজেদের খাবার এবং ডায়েট ফলো করার কথা বেশি মাথায় রাখি কিন্তু আমরা এতটাই ব্যস্ত সারাদিনে এবং নিজেদের কাজ নিয়ে এবং ফিউচার ক্যারিয়ার নিয়ে। 

সবকিছু নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকি সেখানে আমাদের শরীরের দিকে নজর দেওয়া সম্ভব হয় না। সাধারণভাবে আমরা বেশিরভাগ মানুষ দেখতে গেলে এখন বাড়িতে বসে কাজ করা হচ্ছে অর্থাৎ ওয়াক ফ্রম হোম কাজ করতে হচ্ছে। আর এতে অনেক বেশি সমস্যায় পড়ছে সাধারণ মানুষ।

শুধু তাই নয় সুস্থ থাকতে গেলে সারাদিন অফিসে ডিউটি করে তার জন্য মানুষের শারীরিক বেশকিছু নিয়ম মানা উচিত। যেমন এক্সারসাইজের দরকার সেটা আমরা সাধারণত সবাই দিতে পারছি না। কারণ অনেকেই রয়েছে যারা প্রত্যেক দিন সকাল দশটা থেকে সাতটা পর্যন্ত ডিউটি করছে। সেটা বাড়িতে বসে। 

কিন্তু সেই সময়ের মাঝে একবারও হাতাচলা হচ্ছে না কিংবা তার জন্য মানুষের শারীরিক সমস্যা অনেক বেশি বাড়ছে। কারন এখানে যেহেতু বাড়িতে বসে কাজ সেই সূত্রে কোনরকম ভাবে হাঁটাহাঁটি করা হচ্ছে না তার জন্যই এসিডিটির সমস্যা তো অবশ্যই আর সেখানে হজমের সমস্যা আসছে প্রত্যেকটা মানুষের আর সেখান থেকে শরীর অসুস্থতা এবং আরও বিভিন্ন রকম কারণ জড়িয়ে পড়ছে।

প্রত্যেকদিন প্রত্যেকটা মানুষের আলাদা আলাদা ভাবে যেমন শরীরচর্চা করা দরকার তার সাথে দরকার একটু এক্সারসাইজ করা দরকার। আপনি যেহেতু সারাদিনে একদমই সময় পান না তাহলে সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে একটু হলেও এক্সেসাইজ করুন এবং সেই এক্সারসাইজ করার পর তারপর আপনার দিনটি শুরু করুন। 

ধরুন গরম জলে লেবু খাওয়ার পর আপনি যেকোন টিফিন অর্থাৎ ব্রেকফাস্ট করুন এবং তারপর যদি আপনার মনে হয় অফিসের কাজে বসবে তারপর অফিসের কাজে বসুন। অফিসের কাজে বসার পর আপনি একটা থেকে দেড়টার মধ্যে অবশ্যই লাঞ্চ করে নেবেন। সেটা অফিসে গেলে আপনি হালকা খাবার খেতে যেহেতু আপনি বাড়িতে আছেন তাই দুপুরের খাবারটা আপনি জোরালো করতে পারেন অর্থাৎ আপনি ভাত খেতে খাবেন।

দুপুরে আপনি ভাত খেলেন এবং তারপর তারপর এসে আপনি কম্পিউটারে বসুন কিংবা আপনার অফিসের কাজে বসুন আবার বিকেল সাড়ে চারটে পাঁচটা নাগাদ আপনি দু-একবার হাঁটাহাঁটি করুন বা পায়চারি করুন। এর জন্য ২ থেকে ৫ মিনিট আপনি বের করে নিন এবং তারপর সন্ধ্যেবেলায় টিফিন করুন অফিসে ডিউটি শেষ হলে আপনি আরেকবার এক্সারসাইজ করবেন শুধুমাত্র অফিস টাইম শেষ হলো আর মোবাইল নিয়ে বসে পড়লাম নিজেদের এন্টারটেইনমেন্টের জায়গা নেই বলে টা একদম করবে না। 

এখন মোবাইল ল্যাপটপ এগুলোই ব্যাবহার করছেন অনেক বেশি তাতে কিন্তু আপনি সারাদিন এই সমস্ত কাজ করছেন তাই আপনার চোখে রেস্ট দরকার। তার সাথে সাথে দরকার আপনার একটু শারীরিক পরিশ্রম। শারীরিক পরিশ্রম মানে আপনাকে কাজ করতে হবে এমন নয়।

আপনি শারীরিক পরিশ্রমের জন্য একটু হলেও এক্সাইজ করুন ফোনটা আপনি পাঁচটা মিনিটের জন্য বন্ধ রাখুন। ফোন বন্ধ রাখার পর কিংবা পাশে রেখে দেওয়ার পর আপনি একটু এক্সাইজ করুন এবং তাতে শরীর অনেক ভালো থাকবে দেখবেন আপনার শারীরিক অনেক সমস্যা দূর হয়েছে। বাড়িতে বসে কাজের জন্য আপনার যেমন মেন্টাল প্রেসার রয়েছে তার সাথে সাথে আপনার শারীরিক অবস্থা ঠিক না থাকলে সেখানে সুগার এবং ব্লাড প্রেসার বাড়তে থাকবে। টেনশন থেকে মানুষের অনেক বেশি রোগ আসতে থাকে। 

বাড়িতে বসে থাকার পরে শারীরিক অবস্থা অনেক মানুষেরই বিভিন্ন রকম ভাবে অসুবিধা হচ্ছে কারণ আগের নিয়মে যারা বাইরে অফিস করত সকালবেলা খাওয়া দাওয়ার পর জার্নি করে যাওয়া হয় এবং দুপুরবেলা অবশ্যই তাদের খিদে পেয়ে যেত কিন্তু এখন যেহেতু বাড়িতে বসে কাজ নাই সারাদিন খিদে পায় না ঠিকঠাক আর সেখানে হজমের সমস্যা হয় আবার দুপুর টাইমে খাওয়া দাওয়ার পর সারাটাদিন মেন্টাল প্রেসার এবং কাজের প্রেসার থাকার পর আপনি যখন বাড়ি ফেরেন হন্তদন্ত হয়ে তখন আপনার যে জার্নিটা হয় সেখান থেকে আপনার খিদে পেয়ে যায়।

কিন্তু এখন বাড়িতে বসে জার্নি নেই ঠিক কথা কিন্তু মেন্টাল প্রেসার রয়েছে তার জন্য আপনার একটু দরকার প্রাণায়াম এবং এক্সেসাইজ। এগুলোর ফলে আপনি আপনার শরীরকে ঠিকঠাক ভাবে যত্ন নিতে পারবেন আপনি সারাদিনে সমস্ত খাবার খেলেন কিন্তু সেগুলো হজম হলো না অ্যাসিডিটিতে পরিণত হল কিংবা গ্যাস ফর্ম গেল। 

তখন আপনার অনেক বেশি সমস্যা বাড়বে তার থেকে ভালো আপনি প্রত্যেকদিন সঠিক খাবার এবং পুষ্টিকর খাবার খান কিন্তু তার সাথে অনেক বেশি দরকার একটু এক্সারসাইজ এবং আপনার একটু প্রাণায়াম এবং ফ্রি হ্যান্ড করুন তাতে আপনি অনেক বেশি সুবিধা পাবেন। সকালে ১০ মিনিট বিকেলে ১০ মিনিট থেকে কুড়ি মিনিটে আপনি অনেক বেশি ফল পাবেন এবং শারীরিক অবস্থা কে অনেক বেশি সচেতন করতে পারবেন। আর তাতে আপনি অনেক বেশি ভালো থাকবেন।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন