খুব তাড়াতাড়ি বাজারে আসতে চলেছে করোনার টিকা

খুব তাড়াতাড়ি বাজারে আসতে চলেছে করোনার টিকা। মার্চে শুরুর দিকেই ভারতবর্ষে করোনা নামক সংক্রমনের কোথায় ভয়ে আঁতকে উঠেছিল মানুষ আর এবার তার টিকা বেরিয়েছে যার জন্য শুধু দেশ নয় দেশ-বিদেশ সমগ্র পৃথিবীর মানুষ আজ ঘরবন্দি সেই রোগের জন্য। কোনো ওষুধ নেই তৈরি হচ্ছে না। কোন মেডিসিন এখনো পর্যন্ত মানুষ ভয় কাটাচ্ছে বাইরে বেরোতে গেলে ভয় এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে খুশি মানুষ ঘুরতে পারছে না।

প্রত্যেকটা জায়গা একদিনের বেশি বন্ধ থাকত না তা আজ প্রায় একটা বছর হতে চলল সমস্ত মন্দির মসজিদ অফিস-আদালত সবকিছুই বন্ধ বাড়িতে বসে দিন গুনছে মানুষ কবে হবে স্বাভাবিক দিন আসবে আবার সেই স্বাভাবিক পরিস্থিতি যখন মানুষ মানুষের কোলাকুলি এবং মানুষ মানুষের সাথে কথা বলবে মাঝে কোন সামাজিক দূরত্ব থাকবে না। 

corona, corona vaccine
Corona

খুব তাড়াতাড়ি সেই দিন শেষ হতে চলেছে কারণ অক্সফোর্ড থেকে জানানো হয়েছে যে আর দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে করোনার মেডিসিন হাতে পাবে মানুষ। শুধুমাত্র চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্য কর্মীর নয় এবার ভারতের আম আদমি জনতা করোনার মেডিসিন পাবে। 

যদিও প্রথম ধাপে তারা পাবে না কিন্তু অনেক বেশি পরিমাণে উৎপাদন করা হচ্ছে, যাতে প্রত্যেকটা মানুষ সমানভাবে এই মেডিসিন পেতে পারে। হয়তো সেটি একটু খরচসাপেক্ষ। কিন্তু মানুষকে নিজেদের ঘরে বন্দি করে না রেখে নিজেদের কে বাঁচাতে গেলে এবং নিজের পরিবারের সাথে বাঁচতে গেলে এইটুকু খরচ করতেই হবে। 

তার থেকেও বড় কথা মেডিসিন বাজারে এসে যাবে খুব শীঘ্রই। পুরো একটা বছর সময় চেয়েছিল আর এবারে সেই এক বছর সময় পার হতে চলেছে ভারত বর্ষ। এতদিনের সক্ষম হয়েছে এই করোনার ভ্যাকসিন আমআদমি সমস্ত জনতার হাতে তুলে দিতে বিভিন্ন দেশ একই রকম ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে এর আগে রাশিয়া থেকে সেরকম কথা শোনা গেছিল কিন্তু সঠিকভাবে সঠিক নিয়মে সেই মেডিসিন সামনে আনতে পারেনি। তবে ভারত থেকে এবার সেই মেডিসিন খুব শীঘ্রই সামনে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

প্রায় চার থেকে তিন মাস সময়ের মধ্যে সমস্ত মেডিসিন পাওয়া যাবে। প্রথমে প্রায় ৩০ কোটি মেডিসিন উতপাদন হচবে সেখানে প্রথম সুযোগ পাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মীরা এবং তার পরে ৬৫ বছর বয়সে যারা রয়েছে তারা আর তার মধ্যে প্রায় ১৫ কোটি জনতা রয়েছে। 

পরের ধাপে আরো বেশি উৎপাদন করার কথা ভাবছে এবং সেরকম ভাবেই ধাপে ধাপে এগোচ্ছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ভ্যাকসিন তৈরির কাজ। এতদিন অপেক্ষা করার পর অবশেষে একটু হলেও এবার আস্তে আস্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে আগের অবস্থা থেকে। 

মানুষের বাইরের হাওয়া বাতাস সবকিছু সঙ্গে মিলিয়ে চলতে পারবে। এদিকে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা হলেও কমেছে এই তিন মাসে প্রত্যেকটা জায়গায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রথমে লকডাউন থেকে আনলক আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছে মানুষ।

corona, corona vaccine
Corona Vaccine

এরপর ধাপে ধাপে প্রত্যেকটা পরিস্থিতি আগের মত সাধারণ অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হচ্ছে। ভারত বর্ষ তথা গোটা পৃথিবী এই শীত মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা ভয়ের কাওন ছিল তাই শীতের মধ্যে খুব তাড়াতাড়ি আসতে চলেছে মানুষের হাতে সেই ভ্যাকসিন। 

এর জন্য খরচ পড়বে প্রায় ১০০০ টাকা অর্থাৎ প্রত্যেক মানুষের জন্য দুটো করে ডোজ লাগবে আর এই দুটোর দাম হবে ১০০০ টাকা। প্রত্যেকতা ডোজের দাম ৫০০ টাকা করে। 

তবে সেখানে নির্মূল হবে এই সংক্রমণ তার জন্যই হাজার টাকা খরচটা মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অনেক বেশি হলেও এই খরচ করতে অনেকেই উঠবে মহামারী থেকে। মুক্তি পেতে এটাই দরকার ছিলো এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ম অনুযায়ী তারা জানাচ্ছে যে ২০২৪ সালের মধ্যে করোনার ভ্যাকসিন গোটা দেশের প্রত্যেকটা মানুষকে দিতে সক্ষম হবে। 

আর তাতে দেশ থেকে কবে মুক্তি পাবে বলে মনে করছে তারা। তবে এবার তা পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণের ব্যাপার দেখার বিষয় ২০২৪ সালের মধ্যে কত ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে পেরেছে ভারত বর্ষ আর কতটাই বা সক্ষম হয়েছে এই সংক্রমণ দূর করতে।


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন